রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। ভোটারদের অনেকে অভিযোগ করছেন, ভোট দেওয়ার পর নখে লাগানো কালি মুখে যাচ্ছে। এতে করে ভোট জালিয়াতি করতে পারে কেউ। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলছেন, কালি মুখে গেলেও সমস্যা নেই। জালিয়াতি রোধে ৪ ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ. নজরুল ইসলাম বলেন, কালি মুছে গেলেও কোনো সমস্যা নেই। আমাদের ফোর্থ ডাইমেনশনাল (চার ধরনের) সিকিউরিটির ব্যবস্থা রয়েছে। কালি কোনো সিকিউরিটির মধ্যে পড়েই না। ওইটা দিলেও যা, না দিলেও তা। ভোট দেওয়ার পর সাধারণত কালি লাগানোর একটা প্রচলন রয়েছে, এজন্য আমরাও এটা দিচ্ছি।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি একাডেমিক ভবনে স্থাপিত ১৭টি কেন্দ্রের ৯৯০টি বুথে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই কেন্দ্রগুলোর সামনে জড়ো হয়েছেন শিক্ষার্থীরা। কেন্দ্রগুলোর সামনে ছাড়াও ক্যাম্পাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। এছাড়া র্যাব ও বিজিবি সদস্যরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে মোতায়েন রয়েছেন। বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, কমিউনিটি পুলিশ, রেঞ্জার্স সদস্যরাও কেন্দ্রগুলোতে কাজ করছেন।
ভোটগ্রহণ পরিচালনা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। মোট ২১২ জন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন, যার মধ্যে ১৭টি কেন্দ্রে ১৭ জন প্রিসাইডিং অফিসার ও বাকিরা সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার। এছাড়া ৯১ জন কর্মকর্তা পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনের ফলাফল প্রস্তুতের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সূত্র: চ্যানেল ২৪






